বিচার চায় কুলতলির উমা

 


বিচার চায় কুলতলির উমা


দেবীপক্ষের পবিত্র সময়েও বাংলায় কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যার মর্মান্তিক অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে মহিষমারি ফাঁড়ির পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। যদি তারা সময়মতো সক্রিয় হতো, তবে হয়তো কুলতলির ‘উমা’-কে বাঁচানো সম্ভব হতো। এটি শুধুমাত্র আরজি করের ‘অভয়া’-র ক্ষেত্রেই নয়, কুলতলির ‘উমা’-র পিসির মেয়ের ক্ষেত্রেও ২০২২ সালে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে টাকার বিনিময়ে সমাধান করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে।